খুলনার ফুলতলা উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর হাতে কলমের মতো দেখতে বিশেষ ধরনের অস্ত্র ‘পেনগান’ ব্যবহার করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে, যা জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২২ এপ্রিল জামিরা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পিপরাইল দাসপাড়া কালভার্ট এলাকায় সুমন মোল্লার গতি রোধ করে সন্ত্রাসীরা। তারা সুমনের মুখের মধ্যে কলমসদৃশ অস্ত্র ‘পেনগান’ ঢুকিয়ে লিভার টানলে নিঃশব্দে বের হয় বুলেট। মুহূর্তেই সুমনের মুখ ও গলার অংশ ভেঙে পড়ে, এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মামলাটি দায়ের করেন সুমনের বাবা রকিবুদ্দিন গাজী। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে নাম জড়ান মোমিদ গাজী। ১০ দিন পর যশোর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। রিমান্ডে তিনি পেনগানের তথ্য প্রদান করেন।
ফুলতলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পেনগানটি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি হয় না; এটি ভারত থেকে এসেছে। খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক জানিয়েছেন, মামলা গুরুত্ব বিবেচনায় বিশেষ কর্মকর্তা দায়িত্ব পেয়েছেন, এবং অস্ত্রের ব্যালিস্টিক রিপোর্ট শিগগিরই পাওয়া যাবে।
অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেছেন, কলমসদৃশ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে পরিকল্পিত হত্যা ও জননিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জ বাড়বে। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২২ এপ্রিল জামিরা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পিপরাইল দাসপাড়া কালভার্ট এলাকায় সুমন মোল্লার গতি রোধ করে সন্ত্রাসীরা। তারা সুমনের মুখের মধ্যে কলমসদৃশ অস্ত্র ‘পেনগান’ ঢুকিয়ে লিভার টানলে নিঃশব্দে বের হয় বুলেট। মুহূর্তেই সুমনের মুখ ও গলার অংশ ভেঙে পড়ে, এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মামলাটি দায়ের করেন সুমনের বাবা রকিবুদ্দিন গাজী। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে নাম জড়ান মোমিদ গাজী। ১০ দিন পর যশোর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। রিমান্ডে তিনি পেনগানের তথ্য প্রদান করেন।
ফুলতলা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পেনগানটি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি হয় না; এটি ভারত থেকে এসেছে। খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হক জানিয়েছেন, মামলা গুরুত্ব বিবেচনায় বিশেষ কর্মকর্তা দায়িত্ব পেয়েছেন, এবং অস্ত্রের ব্যালিস্টিক রিপোর্ট শিগগিরই পাওয়া যাবে।
অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেছেন, কলমসদৃশ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে পরিকল্পিত হত্যা ও জননিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জ বাড়বে। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
অনলাইন ডেস্ক